জৈব কীটনাশকঃ সকল ধরণের শোষক ও ছিদ্রকারি পোকা দমনে
প্রোডাক্ট পজিশনিংঃ নিমবিসিডিন ব্যবহারে সকল ধরণের শোষক পোকা যেমন- সাদা মাছি, এফিড, জ্যাসিড, থ্রিপস, মিলিবাগ ইত্যাদি এবং লেদাপোকা, শুঁয়ো পোকাসহ সকল ছিদ্রকারি ও পাতা খেকো পোকা দমন করা যায়।
ফসল সমূহঃ
মরিচ, টমেটো, ঢেঁড়স, শসা, শিম, ফুলকপি, বাধাকপি সহ বিভিন্ন শাক-সবজি ও ফল-ফুল ইত্যাদি।
নিমবিসিডিন এর বিশেষত্বঃ
- রিপেলেন্ট- পতঙ্গকে তাড়িয়ে দিতে সাহায্য করে।
- IGR- পতঙ্গের বৃদ্ধি রোধ করে।
- এন্টিফিডিং- পতঙ্গের খাওয়া বন্ধ করে দেয়।
- পতঙ্গের বন্ধ্যাত্ব সৃষ্টি করে, ফলে ডিম ও কীড়া দিতে পারে না।
- সর্বোপরি পতঙ্গের মৃত্যু ঘটায়।
নিমবিসিডিন ব্যবহারের উপকারিতাঃ
- আইপিএম এর সামঞ্জস্যপূর্ণ বালাইনাশক।
- রেজিস্ট্যান্স ম্যানেজমেন্টে অধিক কার্যকরী যেহেতু পোকা নিমবিসিডিন এর বিরুদ্ধে কোন প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারে না। কারন নিমবিসিডিন এর অনেক ধরনের আইসোমার ব্যবহার হয়ে থাকে।
- উপকারী পোকার (মৌমাছি) জন্য ক্ষতিকারক নয় তাই অধিক পরাগায়ন ঘটিয়ে ফলন বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।
- জৈব কীটনাশক বিধায় রেসিডুয়াল ইফেক্ট থাকে না তাই স্প্রে করার ৪-৭ দিনের মধ্যে ফসল সংগ্রহ করা যায়।
- পরিবেশ বান্ধব, কারন এটি পরিবেশে সহজে নিঃশেষ হয়ে যায়।এর কোন অবশিষ্টাংশ থাকে না।
নিমবিসিডিন মেশানোর পদ্ধতিঃ আগে পাত্রে নিমবিসিডিন ঢালুন, পরে পাত্রে পানি মেশান।
প্রয়োগ মাত্রাঃ ৪-৫ মি.লি. নিমবিসিডিন প্রতি লিটার পানিতে ভালোভাবে মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে। ভাল ফল পেতে পড়ন্ত বিকেলে স্প্রে করুন।
